আমলকির রসের অন্যতম উপকারিতা হলো এটি চুলের গোড়া শক্ত করতে কার্যকরী। চুলে আমলকির রস ব্যবহার করলে কোলাজেনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। এর ফলে চুল দ্রুত লম্বা হয়।
আমলকির মধ্যে ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে, যা চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। চুলকে ঘন ও লম্বা করতে এবং মজবুত করে তুলতে আপনি আমলকির তেল ব্যবহার করতে পারেন। প্রাচীনকাল থেকে চুলের যত্নে আমলকি ব্যবহার হয়ে আসছে।
প্রাকৃতিক উপায়ে চুল ঝলমলে ও সুন্দর রাখতে নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন আমলকীর তেল। এটি খুশকি দূর করার পাশাপাশি চুলের দ্রুত বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এছাড়া চুল পড়া বন্ধ করতেও এর জুড়ি নেই।
- আমলকীতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। এটি চুলের দ্রুত বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
- চুলের অকালে পেকে যাওয়া রোধ করে আমলকী।
- প্রাণহীন চুলে ঝলমলে ভাব নিয়ে আসে আমলকীর তেল।
- আমলকীর তেল প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে চুল নরম করে।
- চুল পড়া বন্ধ করে এটি।
- খুশকির জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়া দূর করে চুল খুশকিমুক্ত রাখে এই তেল।
- চুল ভেঙে যাওয়া ও আগা ফেটে যাওয়া রোধ করে আমলকীর তেল।
- একটি পাত্রে ১ কাপ নারকেল তেল নিন।
- ৩ টেবিল চামচ আমলকী গুঁড়া অথবা ৪ টেবিল চামচ আমলকীর পেস্ট ও ভিটামিন ই ক্যাপসুল মেশান তেলে।
- পাত্রটি ঢেকে মৃদু আঁচে চুলায় রেখে দিন ১ ঘণ্টা।
- তেল নামিয়ে ঠাণ্ডা করুন।
- পাতলা কাপড় দিয়ে ছেঁকে নিন।
- মুখবন্ধ বয়ামে সংরক্ষণ করুন আমলকীর তেল।
চুলে যেভাবে ব্যবহার করবেন
রাতে ঘুমানোর আগে আমলকীর তেল ভালো করে ম্যাসাজ করুন চুলের গোড়ায়। পরদিন সকালে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। শ্যাম্পু করার ১ ঘণ্টা আগে ব্যবহার করলেও উপকার পাবেন। চাইলে যেকোনও জেয়ার প্প্যাকের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন আমলকীর তেল।
এছাড়াও শুকনো আমলকির গুঁড়ো সামান্য কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে ১ ঘন্টা রেখে দিয়ে তারপর সেই মিশ্রণটি পুরো চুলে ম্যাসেজ করে লাগিয়ে আধা থেকে ১ ঘণ্টা রাখতে হবে। তারপর ধুয়ে ফেলুন। এর ফলে দ্রুত চুলের বৃদ্ধি হবে, আর্দ্রতা বজায় থাকবে, চুল হবে মসৃন এবং উজ্জ্বল।
চুলের পুষ্টি এবং চুলকে শক্তিশালী করতে আমলকির বিকল্প কিছু নেই। আমলকি চুলের কন্ডিশনার হিসাবেও কাজ করে। যার ফলে চুল হয়ে উঠে চকচকে আর আকর্ষণীয়। আমলকি ব্যবহারের ফলে চুলের খুসকি দূর হয়ে যায়। এত থাকা ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ডান্ড্রিয়াম আক্রমণে বাধা দেয় ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে।
